বশীকরণ মূলত তন্ত্র মন্ত্র বিভিন্ন নকশার মধ্যমে করা হয়। বশিকরণ বা কবিরাজি বহু যুগ আগে থেকে প্রচলন হয়ে আসছে। বশীকরণ করা হয় ছেলে বা মেয়ে মানুষের উপর, এটা করা হলে ছেলে-মেয়ে নিজের প্রতি আকৃষ্ট হয় ।
বশীকরণ মন্ত্র: ইন্না আত্বেন শয়তানা
মেরা শিকল বন্ অমুকী কে পাছ জানা উছে মেরে পাছ লানা
না লাবে তো তেরী বহন্ ভানজী পার
তী ছো তিন তালাক
কিছকা আজ্ঞে মা কালী কা আজ্ঞে।
নিয়মঃ খাটের পায়ার কাছে উলঙ্গ হয়ে বস উক্ত মন্ত্র ১০১ বার গুড়ের উপর জপ করে ফুক দিবে এর পর গুড় খাটের নিচে রেখে শুয়ে পড়বে সকালে উঠে সেই গুড় ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের ভাগ করে দিবে। তাহলে অভিলষিত নারী কিংবা পুরুষ বশীভূত হবে এবং ৭ দিনের মধ্যে তা সামনে আসবে।
বিঃদ্রঃ মন্ত্রের যেখানে অমুকী শব্দ আছে সেখানে যাকে বশ করবে তাঁর নাম বলতে হবে।
চুল দিয়ে বশীকরণের উপায়:
যাকে বশী*ভূত করতে চান তার মাথার চুল প্রথমে সংগ্রহ করতে হবে, এবং সংগ্রহন কৃত সংরক্ষণ করে রাখবেন এরপর ঐ দিন রাতে গোসল করে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন এবং ১১১ বার আল্লাহু সামাদ পাঠ করে ঐ চুলে ফুঁ দিবেন এরপর যথাযথ মোনাজাত করবেন এরপর পরের দিন সকালে যার মাথার চুল নিয়েছেন বা যাকে বশীভূত করতে চান তার বাড়ীর আশপাশের যেকোনো গাছে চুল বেঁধে দিয়ে আসবেন, শহরের যদি গাছ না থাকে তাহলে যে বিল্ডিং এ পছন্দের মানুষ থাকে সেই বিল্ডিং এর যেকোনো স্হানে একটি কৌটায় চুল রেখে নিরাপদ ভাবে রেখে দিয়ে আসবেন। পরের দিন কাংখিত মানুষটি আপনার প্রতি দুর্বল হবে, আপনার জন্য ব্যকুল হবে, আপনার প্রতি বশীভূত হবে ও আপনার হুকুমে বাধ্যগত হবে।
কবিরাজ ০১৮৮১৮-৭২৫৮০